তুরস্কে ১ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে আমিরাত

বুধবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেপ এরদোগানের সাথে বৈঠক করেন দেশটিতে সফররত আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ।

সেখানে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সাক্ষর হয়েছে। যার ফলে দেশ দুইটি বছরের পর বছর ধরে চলে আসা বৈরিতা ভুলে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

২০১২ সালের পরে এটি ছিল আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্সের প্রথম তুরস্ক সফর। বুধবার দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে বৈঠকটি ছিল গত এক দশকের মধ্যে প্রথম।

বুধবার রাজধানী আঙ্কারায় প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সে বিন জায়েদকে স্বাগত জানান এরদোগান।

সেখানে প্রথা অনুযায়ী নৈশভোজের আগে, তারা বর্ধিত সহযোগিতা এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নের বিষয়ে একে অপরের সাথে আলোচনা করেছেন।

বৈঠকের পর, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিলের (এডিকিউ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আল-সুওয়াইদি তুর্কি মিডিয়াকে ঘোষণা করেন যে, আবুধাবি বিভিন্ন চুক্তি এবং প্রকল্পের মাধ্যমে তুরস্কে ১ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে।

এডিকিউ এবং তুরস্কের সম্পদ তহবিল এবং প্রেসিডেন্টের বিনিয়োগ অফিসের মধ্যে স্বাক্ষরিত বিনিয়োগ চুক্তিতে আবুধাবি পোর্ট কোম্পানির বন্দর ও লজিস্টিক এবং দুই দেশের স্টক এক্সচেঞ্জের মধ্যে সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

জ্বালানি, পেট্রোকেমিক্যাল, প্রযুক্তি, পরিবহন, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, আর্থিক পরিষেবা, খাদ্য ও কৃষি খাতে সরাসরি বিনিয়োগ ও সহযোগিতার জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উপরন্তু, তুরস্কের নবায়নযোগ্য শক্তিতে এই বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। এটি বিদ্যমান এবং নতুন উভয় প্রকল্পকে কভার করে।

বাণিজ্য, জ্বালানি এবং পরিবেশগত বিষয়ে সাধারণভাবে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য একটি সমঝোতা স্মারকও তৈরি করা হয়েছিল।

আমিরাতের শিল্পমন্ত্রী সুলতান আল-জাবেরের মতে, ক্রাউন প্রিন্সের সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল টেকসই বিনিয়োগের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি করা। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *